সারাজীবন সুস্বাস্থ্যে থাকার জন্য কি ধরনের জীবনধারা মেনটেন করবে।What kind of lifestyle will maintain to stay healthy throughout life.

  •  সারাজীবন সুস্বাস্থ্যে থাকার জন্য কি ধরনের জীবনধারা মেনটেন করবে।What kind of lifestyle will maintain to stay healthy throughout life.


1.  সকালে বাসি মুখে বাসি জল নিয়ে কুল কুচো করে ওটা খেয়ে নিন। তার পর 500 m.l  জল খান ।

2. তার পর  ঈষদ উষ্ণ গরম জল এক গ্লাস (300 m.l).

3. চা খেলে চিনি ও দুধ ছাড়া, মধু দিয়ে খেতে পারেন ।

4. সকাল 8:00 এর মধ্যে ব্রেকফাস্ট সেরে ফেলবেন । ( সুষম পুষ্টিকর)

5. সকাল 11:00 নাগাদ স্বাস্থ্যকর হালকা খাবার খান।

6. দুপুর 1:00 থেকে 1:30এর মধ্যে লাঞ্চ করে নেবেন।

7. লাঞ্চ এর পর সঙ্গে সঙ্গে   অবশ্যই শোবেন না। এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর একটু বিশ্রাম নিন।

8. সন্ধ্যা 5:30 থেকে 6:00 এর হালকা  কিছু খাবেন।

9. রাত্রি 8:00 থেকে 8:30 এর মধ্যে ডিনার করে নেবেন। ডিনারের পরিমান খুব একটা বেশি না হয়। ডিনারের অবশ্যই মাছ, মাংস ও ডিম পাবার চেষ্টা করবেন।

10. ডিনার করার কমপক্ষে 2 ঘন্টা পর ঘুমাতে যাবেন।

11. ঘুমাতে যাবার কমপক্ষে এক ঘণ্টা আগে ইলেকট্রনিক গেজেট থেকে দূরে থাকুন।

12. রাত্রিতে ঘুমানো আগে  এক গ্লাস 300 m.l ঈষদ উষ্ণ জল খাবেন ।


বি: দ্র: 


1. প্রতিটি খাবারের 30 মিনিট  আগে ও পরে কমপক্ষে এক গ্লাস 250 m.l থেকে 300 m.l  করে জল খাবেন ।

2. রান্নায় তেলের ব্যবহার কম করবেন। একজনের জন্য (17 m.l মানে মাসে 500 m.l এর বেশি  অবশ্যই নয়।। এই ভাবে পরিবারের সদস্যদের হিসাব করুন ।

3. ভাজা ভুজি থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। ফাস্টফুড, জাং ফুড, প্রক্রিয়া জাত খাবার থেকে নিজেকে দূরে রাখুন । 

কোমল পানীয় ও রাস্তার ফুড জুস খাবেন না।

 4. যারা জল কম খান তারা ধীরে ধীরে জলের পরিমাণ বাড়াবেন। কমপক্ষে 8  (আট) থেকে 12 (বারো) গ্লাস জল খাবেন।

5. লবনের পরিমান 5 gm এর বেশি একদমই নয়। ভাত পাতে কাঁচা লবন একদম নয়।

6 . সপ্তাহে ন্যূনতম 5 দিন 30 মিনিট করে ব্যায়াম করতে হবে।  (10+10+10) মিনিট  হলেও হবে। সকালে হলে ভালো তা না হলে সময় করে ব্যায়াম করতেই হবে।

7, প্রত্যেক দিন 5 - 10 মিনিট শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতেই হবে।

8. প্রত্যেক দিন নূন্যতম 6 - 8 ঘুমাতে হবে। (দুপুরে নয়)

9) খাবার খাবার সময় ধীর গতি নীতি অবলম্বন করুন।

তার মানে, ভালো করে চিবিয়ে চিবিয়ে খাবার খাবেন।

10) belly fat যাতে না বাড়ে

 সেদিকে নজর দিন।

11) 30 বছরের পর নিয়মিত রুটিন চেক-আপের মধ্যে থাকুন। কমপক্ষে বছরে একবার সুগার , পেশার ও লিপিট প্রফাইল চেক - করুন।

12) কখনোই ডাক্তার বাবুর পরামর্শ ছাড়া ওষুধ কিনে খাবেন না। প্রয়োজনে আগে থেকে কিছু এমারজেন্সি স্বাস্থ  সমস্যার জন্য ডাক্তার বাবুকে দিয়ে ওষুধ লিখিয়ে রাখুন।

13) কোন খাবার দ্বিতীয় বার গরম করে খাবেন না। রান্নার ছয় ঘন্টার মধ্যে খাবার খেয়ে নিন।

14) হাই কোয়ালিটি প্লাস্টিকের বোতল জলের জন্য ব্যবহার করুন। বোতলের পেছনে একটা ত্রিভুজ এর মধ্যে 1 নম্বর লেখা দেখে জলের বোতল কিনুন।

Comments